1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
  2. wp_service_47d949@service.localhost : wp_service_47d949 :
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাইল্যান্ডের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যক্রম শুরু করা হবে: জাকারিয়া তাহের মুরাদনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ২ জনকে হত্যার অভিযোগ আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ইউপি নির্বাচন শুরু: ইসি সানাউল্লাহ ​জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক সাতক্ষীরায় মহিলা কল্যাণ পরিষদের অনুদানের চেক বিতরণ পূর্ব জুরাইনে খালি জায়গার নতুন মিটারে ওয়াসার ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ দেশে নাগরিকদের সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নারীদের নিয়ে কোনো অবমাননাকর মন্তব্য মেনে নেওয়া হবে না: থালাপতি বিজয় ঝালকাঠিতে মাদক ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাইল্যান্ডের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার

ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাইল্যান্ডের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক শতাব্দী পুরোনো একটি বৌদ্ধবিহারকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ঐতিহাসিক স্থাপনাটির সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। দেশটির সরকার রোববার এ তথ্য জানায়। থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, নাখন সি থাম্মারাত প্রদেশের ওয়াত ফ্রা মাহাথাত ওরামাহাওয়িহান থাইল্যান্ডের নবম বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান। তবে এটি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান। ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই অন্তর্ভুক্তির ফলে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানটির সংরক্ষণ, সুরক্ষা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।’ স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, শনিবার ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি উদযাপনে বৌদ্ধবিহারে কর্মকর্তা ও ভিক্ষুরা প্রার্থনা করেন ও ঘণ্টা বাজান। ইউনেস্কো জানায়, অষ্টম শতকে ‘ফ্রা মাহাথাত বৌদ্ধবিহার’ নামেও পরিচিত এই স্থাপনা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আঞ্চলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৌদ্ধধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে সুউচ্চ ধূসর স্তূপ, বিশাল শায়িত বুদ্ধমূর্তি এবং সারিবদ্ধ দাঁড়ানো ও উপবিষ্ট সোনালি বুদ্ধমূর্তি।

এছাড়া বিভিন্ন রক্ষাকর্তা দেবতার রকম অলংকৃত ভাস্কর্যও রয়েছে। ইউনেস্কো তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের মধ্যবর্তী থাইল্যান্ড উপদ্বীপে অবস্থিত এই বৌদ্ধবিহার ব্রাহ্মণ্যবাদ, হিন্দুধর্ম, মহাযান বৌদ্ধধর্ম ও থেরবাদ বৌদ্ধধর্মসহ বিভিন্ন ধর্ম এবং স্থাপত্যশৈলীর প্রভাব রয়েছে। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার থেকেও এসব প্রভাব এসেছে। সংস্থাটি বলেছে, ‘এসব প্রভাব এখানকার ধর্মীয় স্থাপনা, আচার-অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে একীভূত হয়েছে।’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি একটি দেশের পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করে বলে মনে করা হয়।

থাইল্যান্ডের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত হলো পর্যটন। তবে দেশটিতে এখনও কোভিড-১৯ মহামারির আগের মতো পর্যটক আসা শুরু হয়নি। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে থাইল্যান্ডে পর্যটক আগমন ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় তিন শতাংশের বেশি কমেছে। থাইল্যান্ডের অন্য আটটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানের মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক নগরী আয়ুথিয়া, থুংইয়াই-হুয়াই খা খায়েং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং প্রাচীন নগরী সি থেপ ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দ্বারাবতী যুগের নিদর্শনসমূহ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com